• ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, শুক্রবার ০৫ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Accident

দেশ

নর্মদায় ভয়াবহ বিপর্যয়! পর্যটকভর্তি প্রমোদতরী ডুবে মৃত্যু, আতঙ্কে দেশ

আনন্দময় ভ্রমণ মুহূর্তে পরিণত হল ভয়াবহ দুর্ঘটনায়। মধ্যপ্রদেশে (Madhya Pradesh) নর্মদা নদীর জলাধারে ডুবে গেল একটি পর্যটকভর্তি প্রমোদতরী। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত অন্তত ছয় জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। নৌকাটিতে প্রায় তিরিশ জন পর্যটক ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। এর মধ্যে পনেরো জনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। বাকি কয়েকজনের খোঁজে এখনও জোর তল্লাশি চলছে। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে (Madhya Pradesh)।প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, নৌকাটি যখন জলাধারের মাঝামাঝি পৌঁছেছিল, তখন হঠাৎ আবহাওয়া খারাপ হয়ে যায়। প্রবল ঝড়ো হাওয়া শুরু হয়। সেই সময় ভারসাম্য হারিয়ে নৌকাটি একপাশে কাত হয়ে জলের মধ্যে ডুবে যায়। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় উদ্ধারকারী দল। ডুবুরিরা জল থেকে একে একে যাত্রীদের উদ্ধার করতে শুরু করেন। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে (Madhya Pradesh)।উদ্ধারকাজ তদারকি করছেন জব্বলপুর জেলার প্রশাসনিক আধিকারিকরা। প্রথমে স্থানীয় দল উদ্ধারকাজ শুরু করলেও পরে রাজ্যের বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীও ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায়। রাত নেমে এলেও বাকি নিখোঁজদের খোঁজে অভিযান চালানো হচ্ছে। এই দুর্ঘটনায় গোটা এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

এপ্রিল ৩০, ২০২৬
দেশ

আবার ট্রেন লাইনচ্যুত! এবার বন্দে ভারত, অল্পের জন্য বড় বিপদ এড়াল যাত্রীরা

ফের ট্রেন লাইনচ্যুত হওয়ার ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়াল। এবার দুর্ঘটনার মুখে পড়ল বন্দে ভারত ট্রেন। পুনে রেলওয়ে স্টেশনে ঢোকার সময় ট্রেনের একটি কামরা লাইনচ্যুত হয়ে যায় বলে জানা গিয়েছে।এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কোনও যাত্রীর মৃত্যু বা আহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি। ফলে বড়সড় বিপদ থেকে অল্পের জন্য রক্ষা পেয়েছেন যাত্রীরা।রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, ট্রেনটি মুম্বইয়ের ছত্রপতি শিবাজি মহারাজ টার্মিনাস থেকে সোলাপুরের দিকে যাচ্ছিল। পুনে স্টেশনের একটি অংশে তখন কাজ চলছিল। সেই সময় স্টেশনে ঢোকার মুখেই একটি কামরা লাইনচ্যুত হয়ে যায়।ঘটনার পরপরই রেল কর্তৃপক্ষ দ্রুত ব্যবস্থা নেয়। দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয় এবং আতঙ্কিত যাত্রীদের সাহায্য করা হয়। যাত্রীদের যাতে কোনও অসুবিধা না হয়, তার জন্য দ্রুত বিকল্প ব্যবস্থাও করা হয়েছে। অন্য ট্রেনে তাঁদের গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে।স্টেশনে অতিরিক্ত রেলকর্মী মোতায়েন করা হয়েছে যাতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকে। এই ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু হয়েছে। চূড়ান্ত রিপোর্ট হাতে এলে তবেই জানা যাবে ঠিক কী কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটল।

এপ্রিল ২৮, ২০২৬
রাজ্য

বাইককে ধাক্কা, দুই যুবকের মৃত্যু—খবর শুনে হার্ট অ্যাটাকে ঠাকুমার মৃত্যু

বাংলা নববর্ষের সকালেই জয়নগরে ঘটে গেল মর্মান্তিক পথ দুর্ঘটনা। এই ঘটনায় দুই যুবকের মৃত্যু হয়েছে। আর সেই খবর শুনে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেলেন এক বৃদ্ধা। আনন্দের দিনে এই ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে এলাকায়।জানা গেছে, প্রতি বছরের মতো এ বছরও নববর্ষ উপলক্ষে মলিনা মণ্ডলের বাড়িতে পুজো ও অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। সেই জন্যই বাজার করতে বেরিয়েছিলেন সুভাষ মণ্ডল ও বিকি মণ্ডল। তারা বাইকে করে জয়নগরের ব্যাজরা এলাকায় যান। সেখানে রাস্তার ধারে বাইক দাঁড় করিয়ে কথা বলছিলেন দুজন। সেই সময় দ্রুতগতিতে আসা একটি সবজিবোঝাই চারচাকা গাড়ি তাদের ধাক্কা মারে।ধাক্কায় দুজনই ছিটকে পড়েন। দুর্ঘটনার পরেই গাড়িটি সেখান থেকে পালিয়ে যায়। আশপাশের মানুষ দ্রুত ছুটে এসে আহতদের উদ্ধার করে পদ্মেরহাট গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যান। কিন্তু চিকিৎসকেরা জানান, হাসপাতালে আনার আগেই তাদের মৃত্যু হয়েছে।ঘটনার খবর পরিবারের কাছে পৌঁছতেই শোকের ছায়া নেমে আসে। বিকি মণ্ডলের বয়স ছিল ২২ বছর। তার মৃত্যুর খবর শুনে তার ঠাকুমা মনিলা মণ্ডল ভেঙে পড়েন। কিছুক্ষণের মধ্যেই তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তাঁরও মৃত্যু হয়।একই দিনে পরপর তিনটি মৃত্যুর ঘটনায় হতবাক হয়ে পড়েছেন পরিবারের সদস্যরা এবং এলাকার মানুষজন। পুলিশ মৃতদেহ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে। পাশাপাশি পালিয়ে যাওয়া গাড়িটির খোঁজে তল্লাশি শুরু হয়েছে। এলাকার বিভিন্ন জায়গার নজরদারি চিত্র খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

এপ্রিল ১৫, ২০২৬
রাজ্য

অল্পের জন্য রক্ষা অধীর! এসকর্ট গাড়িতে ট্রাকের ধাক্কা, রিপোর্ট চাইল কমিশন

কান্দি থেকে বহরমপুর ফেরার পথে বড় দুর্ঘটনার মুখে পড়ল কংগ্রেস প্রার্থী অধীররঞ্জন চৌধুরীর কনভয়। একটি ট্রাক এসে তাঁর এসকর্ট গাড়িতে ধাক্কা মারে। অল্পের জন্য রক্ষা পান অধীর চৌধুরী। দুর্ঘটনায় তাঁর নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কয়েকজন জওয়ান আহত হয়েছেন। ঘটনার খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গেই রিপোর্ট তলব করেছে নির্বাচন কমিশন।বুধবার কান্দিতে নির্বাচনী প্রচার সেরে বহরমপুর ফিরছিলেন অধীর চৌধুরী। সেই সময় হঠাৎ একটি ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে তাঁর এসকর্ট গাড়িতে ধাক্কা মারে। ধাক্কার ফলে গাড়ির পিছনের অংশ ভেঙে যায়। যে গাড়িতে ধাক্কা লাগে, তার ঠিক পিছনেই ছিল অধীরের গাড়ি। তাই অল্পের জন্য বড় দুর্ঘটনা এড়ানো গিয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।দুর্ঘটনার পর কংগ্রেস কর্মীরা অভিযোগ করেছেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ সময়মতো পৌঁছায়নি। তাঁদের দাবি, প্রায় কুড়ি মিনিট কেটে যাওয়ার পরও থানার কোনও আধিকারিক সেখানে আসেননি। এই ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলছে কংগ্রেস।ঘটনার পর নির্বাচন কমিশন দ্রুত রিপোর্ট চেয়ে পাঠিয়েছে। কীভাবে এমন দুর্ঘটনা ঘটল, নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনও গাফিলতি ছিল কি না, সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ভোটের আগে এই ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই উদ্বেগ বেড়েছে রাজনৈতিক মহলে।

এপ্রিল ০৮, ২০২৬
রাজ্য

স্কুলে যাওয়ার পথে ভয়াবহ দুর্ঘটনা! রক্তাক্ত ১৫ পড়ুয়া, আশঙ্কাজনক এক শিশু

মুর্শিদাবাদে স্কুলে যাওয়ার পথে ভয়াবহ পথ দুর্ঘটনায় জখম হল ১৫ জন পড়ুয়া। তাদের মধ্যে ১১ জনকে গুরুতর অবস্থায় মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এক পড়ুয়ার অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে নিবিড় পরিচর্যা বিভাগে রাখা হয়েছে। আহতরা নার্সারি থেকে ষষ্ঠ শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করে বলে জানা গিয়েছে।মঙ্গলবার সকাল প্রায় নটা নাগাদ মুর্শিদাবাদ ও নদিয়ার সীমান্তবর্তী পলাশি ফুলবাগান মোড় এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। প্রতিদিনের মতো এদিনও তেঘরিয়া-নাজিরপুর এলাকা থেকে একটি ভাড়া করা গাড়িতে করে প্রায় ১৫ জন পড়ুয়া পলাশির একটি বেসরকারি স্কুলে যাচ্ছিল। পথেই আচমকা দুর্ঘটনার মুখে পড়ে তাদের গাড়ি।স্কুল সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই গাড়িটি পলাশি ফুলবাগান মোড়ে পৌঁছতেই রাস্তার মাঝে দাঁড়িয়ে থাকা একটি ডাম্পারের সঙ্গে সজোরে ধাক্কা খায়। স্কুলের এক শিক্ষক জানান, নির্বাচনের কারণে ওই এলাকায় পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর নাকা তল্লাশি চলছিল। তল্লাশির জন্য ডাম্পারটি রাস্তার মাঝখানে দাঁড় করানো হয়েছিল।হঠাৎ করে রাস্তার মাঝখানে ডাম্পার দাঁড়িয়ে থাকায় স্কুল ভ্যানের চালক সময়মতো গাড়ি থামাতে পারেননি। ফলে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সরাসরি ডাম্পারের পিছনে ধাক্কা মারে ভ্যানটি। এই ঘটনায় মুহূর্তে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়।দুর্ঘটনার পর আহত পড়ুয়াদের দ্রুত উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। ঘটনার জেরে এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। কীভাবে এই দুর্ঘটনা ঘটল এবং নাকা তল্লাশির সময় নিরাপত্তা ব্যবস্থা কতটা ছিল, তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।

মার্চ ৩১, ২০২৬
দেশ

ভোরের ভয়াবহ আগুন! চলন্ত বাসে দাউ দাউ করে জ্বলল আগুন, জীবন্ত পুড়ে মৃত্যু ১২ জনের

অন্ধ্র প্রদেশে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। একটি যাত্রীবাহী বাস ও লরির মুখোমুখি সংঘর্ষে অন্তত ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এই দুর্ঘটনা ঘটেছে আজ ভোরবেলায় মার্কাপুরম এলাকায়। সংঘর্ষের পর মুহূর্তের মধ্যেই বাসটিতে আগুন ধরে যায় এবং খুব দ্রুত সেই আগুন গোটা বাসে ছড়িয়ে পড়ে। ফলে বহু যাত্রী বেরোবার সুযোগই পাননি।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বাসটি নির্মল থেকে নেলোরের দিকে যাচ্ছিল। ভোর প্রায় ৬টা নাগাদ উল্টো দিক থেকে আসা একটি লরির সঙ্গে বাসটির ধাক্কা লাগে। সংঘর্ষ এতটাই ভয়াবহ ছিল যে সঙ্গে সঙ্গেই বাসটিতে আগুন ধরে যায়। স্থানীয় মানুষ ও দমকলবাহিনী দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।প্রথমে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, ৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। পরে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১২-তে দাঁড়ায়। এখনও পর্যন্ত প্রায় ২০ জন আহত যাত্রীকে উদ্ধার করা হয়েছে। তাঁদের নিকটবর্তী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহতদের মধ্যে অনেকের অবস্থা গুরুতর, ফলে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।এই মর্মান্তিক ঘটনায় শোকপ্রকাশ করেছেন অন্ধ্র প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী এন চন্দ্রবাবু নাইডু। তিনি মৃতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতার কামনা করেছেন। পাশাপাশি তিনি প্রশাসনের উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলে পুরো ঘটনার রিপোর্ট চেয়েছেন। আহতদের চিকিৎসায় যাতে কোনও রকম গাফিলতি না হয়, সেই নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।রাজ্যের তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী নারা লোকেশও এই ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, এই দুর্ঘটনা অত্যন্ত বেদনাদায়ক এবং সরকার ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলির পাশে রয়েছে।দুর্ঘটনার সঠিক কারণ এখনও পরিষ্কার নয়। তবে প্রাথমিকভাবে পুলিশের অনুমান, লরির অতিরিক্ত গতির কারণেই এই সংঘর্ষ ঘটতে পারে। ইতিমধ্যেই ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।

মার্চ ২৬, ২০২৬
বিদেশ

পদ্মায় মৃত্যুফাঁদ! নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সোজা জলে বাস, এখনও নিখোঁজ বহু যাত্রী

বাংলাদেশের ফরিদপুরে পদ্মা নদীতে এক ভয়ংকর দুর্ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে ভেসেলে ওঠার সময় একটি যাত্রীবাহী বাস হঠাৎ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে উলটে পড়ে যায়। বাসটিতে প্রায় ৪০ জন যাত্রী ছিলেন বলে জানা গেছে। এই ঘটনায় বহু মানুষের মৃত্যুর আশঙ্কা করা হচ্ছে।পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বুধবার বিকেল পাঁচটার কিছু পরে বাসটি দৌলতদিয়ার তিন নম্বর ঘাটে পৌঁছায়। পদ্মা নদী পারাপারের জন্য সেটি ভেসেলের অপেক্ষায় ছিল। প্রায় দশ থেকে পনেরো মিনিটের মধ্যে ভেসেলটি ঘাটে আসে। সেই সময় ভেসেলে ওঠার সময়ই বাসটির নিয়ন্ত্রণ নষ্ট হয়ে যায় এবং সেটি সোজা নদীতে পড়ে যায়।প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঘটনাটি এত দ্রুত ঘটে যে কেউ কিছু বুঝে ওঠার আগেই বাসটি জলের তলায় চলে যায়। সঙ্গে সঙ্গে এলাকায় হইচই শুরু হয়। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ, দমকল এবং উদ্ধারকারী দল। নদীতে ডুবুরি নামিয়ে জোরকদমে উদ্ধার অভিযান শুরু করা হয়েছে।দৌলতদিয়া ফেরিঘাটের এক আধিকারিক মহম্মদ মনির হোসেন বলেন, তাঁদের চোখের সামনে বাসটি নদীতে উলটে পড়ে যায় এবং কিছু করার সুযোগই পাননি। তিনি জানান, বাসে নারী ও শিশু সহ অন্তত ৪০ জন যাত্রী ছিলেন। কয়েকজন কোনওভাবে প্রাণে বাঁচতে পারলেও অনেকেই বাসের ভিতরে আটকে পড়েছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।এখনও পর্যন্ত কতজনকে উদ্ধার করা গেছে, তা স্পষ্ট নয়। তবে উদ্ধারকাজ জোরদারভাবে চলছে এবং প্রশাসন পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে। এই মর্মান্তিক ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক এবং শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

মার্চ ২৫, ২০২৬
বিদেশ

ভয়াবহ দুর্ঘটনায় অল্পের জন্য রক্ষা! মলদ্বীপে উল্টে গেল স্পিডবোটে গৌতম সিংহানিয়া

মলদ্বীপে ছুটি কাটাতে গিয়ে ভয়াবহ দুর্ঘটনার মুখে পড়লেন রেমন্ড গ্রুপের চেয়ারম্যান ও ম্যানেজিং ডিরেক্টর গৌতম সিংহানিয়া। স্পিডবোটে ভ্রমণের সময় সেটি আচমকা উল্টে যায়। কোনওমতে প্রাণে বাঁচলেও এই ঘটনায় চোট পান তিনি। পরে সেখান থেকে মুম্বই ফিরে এসেছেন।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই স্পিডবোটে মোট সাতজন পর্যটক ছিলেন, যার মধ্যে পাঁচজন ভারতীয়। শুক্রবার গভীর রাতে, প্রায় ১টা ১৫ মিনিট নাগাদ এই দুর্ঘটনা ঘটে। ভি ফেলিধু দ্বীপের কাছে বোটটি উল্টে যায়।দুর্ঘটনায় বোটে থাকা এক ভারতীয় পর্যটক, হরি সিং এখনও নিখোঁজ রয়েছেন। বাকি যাত্রীরাও কমবেশি আহত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। নিখোঁজদের খোঁজে তল্লাশি চালানো হচ্ছে।ঘটনাটি কেয়োধু এলাকার দক্ষিণ-পশ্চিমে প্রায় দুই নটিক্যাল মাইল দূরে ঘটে। কাছেই রয়েছে ফুলিধু নামের একটি ছোট দ্বীপ, যা তার সুন্দর প্রাকৃতিক পরিবেশ এবং সমুদ্র ভ্রমণের জন্য পরিচিত। এই অঞ্চল ডাইভিংয়ের জন্যও জনপ্রিয়।এই দুর্ঘটনার পর পর্যটন নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

মার্চ ২১, ২০২৬
রাজ্য

দোলের আনন্দ মুহূর্তে শোক! গঙ্গায় তলিয়ে নিখোঁজ চার তরুণ-তরুণী

দোলের আনন্দ শেষ হতেই নেমে এল ভয়াবহ শোক। পাঁচ-ছয় জন বন্ধু মিলে গিয়েছিলেন গঙ্গায় স্নান করতে। কিন্তু সাঁতার কেটে ঘাট থেকে কিছুটা দূরে যেতেই চার জন তলিয়ে যান। এখনও পর্যন্ত তাঁদের কোনও খোঁজ মেলেনি। ঘটনাটি ঘটেছে ভাটপাড়ার বলরাম সরকার গঙ্গার ঘাটে। সন্ধ্যা পর্যন্ত ডুবুরি নামিয়ে তল্লাশি চালানো হলেও কাউকে উদ্ধার করা যায়নি। আজ ফের অনুসন্ধান চালানো হবে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দোল খেলার পর দুই যুবক ও এক যুবতী গঙ্গায় স্নান করতে নেমেছিলেন। তিন জনই জলে তলিয়ে যেতে থাকেন। সেই সময় ঘাটে বসে ছিলেন সৌরভ সরকার নামে এক যুবক। তাঁদের ডুবে যেতে দেখে তিনি বাঁচাতে গঙ্গায় ঝাঁপ দেন। কিন্তু তিন জনের কাউকেই উদ্ধার করতে পারেননি। কিছুক্ষণের মধ্যেই তিনিও জলে তলিয়ে যান।নিখোঁজ দুই যুবকের নাম সৈকত নন্দী এবং সৌরভ নন্দী। তাঁদের বাড়ি ভাটপাড়া পৌরসভার চৌত্রিশ নম্বর ওয়ার্ডের মাদরাল গভর্মেন্ট কলোনি এলাকায়। বছর কুড়ির যুবতী দীপশিখা দাস রজক কলকাতার বাসিন্দা বলে জানা গিয়েছে। তাঁদের বাঁচাতে ঝাঁপ দেওয়া সৌরভ সরকার ভাটপাড়া পৌরসভার দুই নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা।ঘটনার পর থেকে কান্নায় ভেঙে পড়েছেন সৌরভের মা। তিনি বলেন, তাঁর ছেলে মাঝেমধ্যে বিকেলে ঘাটে গিয়ে বসত। সেদিনও গিয়েছিল। তিন জনকে ডুবে যেতে দেখে বাঁচাতে ঝাঁপ দেয়। এখন পুলিশ জানাচ্ছে, কাউকেই খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। খবর পেয়ে ভাটপাড়া থানার বিশাল পুলিশবাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। এই ঘটনায় পুলিশের গাফিলতির অভিযোগ তুলেছেন ভাটপাড়ার বিধায়ক পবন সিং।

মার্চ ০৪, ২০২৬
কলকাতা

বাসস্টপে ধাক্কা, তারপর ডিভাইডারে সজোরে আঘাত—মত্ত চালকের তাণ্ডব

বেপরোয়া গতির জেরে ভয়াবহ পথ দুর্ঘটনা ঘটল নিউটাউনে। শুক্রবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি সকালে নিউটাউন-এর ইকো পার্ক-এর দুই নম্বর গেটের কাছে প্রথমে একটি গাড়ি বাসস্টপে ধাক্কা মারে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এরপর গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে আরও কিছুটা এগিয়ে সিগন্যালের কাছে ডিভাইডারে সজোরে ধাক্কা মারে। তারপরই গাড়িটি সম্পূর্ণ উল্টে যায়।রাস্তায় উল্টে পড়ে থাকতে দেখা যায় গাড়িটিকে। সামনের অংশ বেশ খানিকটা দুমড়ে-মুচড়ে যায়। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। উদ্ধারকাজ শুরু করা হয়। গাড়িতে থাকা তিনজনকে গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাঁদের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গিয়েছে।পুলিশ সূত্রে খবর, গাড়িতে থাকা তিনজনের মধ্যে যিনি চালাচ্ছিলেন, তিনি মদ্যপ অবস্থায় ছিলেন বলে প্রাথমিক তদন্তে অনুমান। দ্রুতগতিতে গাড়ি চালাতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়েই এই দুর্ঘটনা ঘটে।গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। দুর্ঘটনার সঠিক কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। নিউটাউনের ব্যস্ত রাস্তায় এ ধরনের ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই আতঙ্ক ছড়িয়েছে এলাকায়।

ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২৬
কলকাতা

খোলা লিফটের গর্তে পড়ে মৃত্যু! তিন বছরের শিশুর মর্মান্তিক পরিণতি কলকাতায়

নির্মীয়মান বহুতলের একটি খোলা লিফটের গর্ত থেকে উদ্ধার হল তিন বছরের শিশুর নিথর দেহ। মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে এন্টালি থানার অন্তর্গত ৪/৫১ কনভেন্ট লেন এলাকায়। বুধবার রাতে ওই এলাকার একটি নির্মীয়মান বহুতলের লিফটের গর্ত থেকে শিশুটির দেহ উদ্ধার হয়। ঘটনাকে ঘিরে গোটা এলাকায় নেমে এসেছে শোক ও ক্ষোভ।পরিবারের অভিযোগ, নির্মাণস্থলে কোনও নিরাপত্তার ব্যবস্থা ছিল না। লিফটের গর্ত সম্পূর্ণ খোলা অবস্থায় পড়ে ছিল, তার চারপাশে কোনও ঘেরাটোপ বা সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। সেই কারণেই এই দুর্ঘটনা বলে মনে করছেন এলাকাবাসী। প্রশ্ন উঠছে, কীভাবে এমন একটি বিপজ্জনক জায়গা অরক্ষিত অবস্থায় রাখা হয়েছিল।সন্তানকে হারিয়ে ভেঙে পড়েছেন শিশুটির বাবা-মা। তাঁরা এই মৃত্যুর বিচার চাইছেন। পরিবারের আরও অভিযোগ, ঘটনার পর প্রোমোটারের কাছে বিচার চাইতে গেলে উল্টে শিশুটির বাবাকে হুমকি দেওয়া হয়। বলা হয়, থানায় বেশি কিছু বললে বিপদ হতে পারে। এমনকী শিশুর মাকেই দোষারোপ করা হয় বলে অভিযোগ।এলাকাবাসীদের বক্তব্য, লিফটের গর্ত ঘিরে রাখা থাকলে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটত না। তাঁদের অভিযোগ, অধিক মুনাফার আশায় নির্মীয়মান বহুতলে কোনও নিরাপত্তারক্ষী রাখা হয়নি। নিয়ম মানা হয়নি নির্মাণের ক্ষেত্রেও। তিন বছরের শিশুর মৃত্যুর পর বড়সড় প্রশ্নের মুখে পড়েছে শহরের প্রোমোটার রাজ।এখনও পর্যন্ত এই ঘটনায় কোনও লিখিত অভিযোগ নেয়নি পুলিশ বলে জানা গিয়েছে। যদিও এলাকার মানুষের ক্ষোভ ক্রমশ বাড়ছে। শিশুর মৃত্যুর দায় কার, তা নিয়ে জোরদার তদন্তের দাবি উঠেছে।

জানুয়ারি ২২, ২০২৬
রাজ্য

খাওয়ার থালা হাতে নামতে গিয়েই ঘটে ঘটল.... সুন্দরবনের পর্যটকের মর্মান্তিক পরিণতিতে কেঁপে উঠল রাজ্য

শীতের মরশুমে সুন্দরবনে পর্যটকদের ভিড়ের মধ্যেই ঘটে গেল মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। রাতের অন্ধকারে লঞ্চ থেকে মাতলা নদীতে পড়ে নিখোঁজ হয়ে গেলেন এক পর্যটক। তাঁর খোঁজে রবিবার সকাল থেকে চলছে তল্লাশি। নিখোঁজ যুবকের নাম সুমন্ত পাল। বয়স ২৬ বছর। তিনি দক্ষিণ কলকাতার গড়িয়ার বাসিন্দা।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ১৬ জানুয়ারি গড়িয়া থেকে ২২ জনের একটি পর্যটক দল সুন্দরবনের কৈখালিতে বেড়াতে গিয়েছিলেন। সেখান থেকে তাঁরা সুন্দরবনের বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে দেখেন। ওই দলেরই সদস্য ছিলেন সুমন্ত। দুদিন জঙ্গল ভ্রমণের পর শনিবার রাতে তাঁরা আবার কৈখালিতে ফিরে আসেন। মাতলা নদীর উপর একটি লঞ্চেই তাঁদের থাকা ও খাওয়ার ব্যবস্থা ছিল।শনিবার রাতে ওই লঞ্চেই ঘটে যায় দুর্ঘটনাটি। জানা গিয়েছে, রাত সাড়ে ১১টা নাগাদ খাওয়াদাওয়ার সময় সুমন্ত হাতে ভাতের থালা নিয়ে লঞ্চের সিঁড়ি দিয়ে উপর থেকে নীচে নামছিলেন। সেই সময়ই তিনি ভারসাম্য হারিয়ে সিঁড়ি থেকে সরাসরি মাতলা নদীতে পড়ে যান। মুহূর্তের মধ্যেই নদীর স্রোতে তলিয়ে যান তিনি।ঘটনার পর লঞ্চের চালক ও সঙ্গে থাকা কয়েক জন জলে নেমে তাঁকে খোঁজার চেষ্টা করেন। কিন্তু মাতলা নদীতে স্রোত প্রবল থাকায় তাঁকে আর পাওয়া যায়নি। এরপর বনদপ্তর ও কুলতলি থানায় খবর দেওয়া হয়। রবিবার সকাল থেকে নদীতে তল্লাশি শুরু হলেও দুপুর পর্যন্ত নিখোঁজ যুবকের কোনও খোঁজ মেলেনি। তাঁর বেঁচে থাকার সম্ভাবনা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।লঞ্চের চালক শুভেন্দু সরদার জানিয়েছেন, রাতে খাবার নিয়ে সিঁড়ি দিয়ে নামার সময় শরীরের ভারসাম্য রাখতে না পেরেই ওই যুবক নদীতে পড়ে যান। পর্যটক দলের সদস্য জয় সাহা বলেন, তাঁদের সকলের বাড়িই গড়িয়ায়। ২২ জন বন্ধু মিলে সুন্দরবন ঘুরতে এসেছিলেন। এমন ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটবে, তা কেউ কল্পনাও করতে পারেননি।এই ঘটনা নিছক দুর্ঘটনা নাকি এর পিছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। লঞ্চে থাকা অন্যান্যদের জেরা করা হচ্ছে। নিখোঁজ যুবকের পরিবারের কাছেও ইতিমধ্যেই দুঃসংবাদ পাঠানো হয়েছে।

জানুয়ারি ১৮, ২০২৬
রাজ্য

টাকা তোলার অভিযোগ, পুলিশের পিছনে ধাওয়া! ভয়াবহ দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল তিন জনের

পিছনে পুলিশের গাড়ি দেখে আরও গতি বাড়িয়ে দিয়েছিল লরি। নিয়ন্ত্রণ হারিয়েই সামনে থাকা টোটোতে সজোরে ধাক্কা। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হল টোটোর তিন যাত্রীর। মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনা ঘটেছে বীরভূমের নলহাটিতে, রানিগঞ্জ-মোড়গ্রাম ১৪ নম্বর জাতীয় সড়কে পালোয়ান বাবা মাজারের কাছে।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার সকালে রামপুরহাটের দিক থেকে নলহাটির দিকে যাচ্ছিল পেঁয়াজ বোঝাই একটি লরি। পালোয়ান বাবা মাজারের কাছে নলহাটি থানার পুলিশ প্রহরারত ছিল। অভিযোগ, পুলিশ লরিটিকে থামার নির্দেশ দেয়। কিন্তু চালক গাড়ি না থামিয়ে উল্টে আরও জোরে গাড়ি চালাতে শুরু করেন। পুলিশের একটি বাইক লরিটিকে ধাওয়া করে।পুলিশের হাত থেকে বাঁচতে গিয়ে অতিরিক্ত গতিতে লরি চালাতে থাকেন চালক। ঠিক সেই সময় সামনে একটি টোটো চলছিল। টোটোতে চালক ছাড়াও আরও তিন জন যাত্রী ছিলেন। দ্রুতগতির লরিটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সামনে থেকে আসা ওই টোটোতে ধাক্কা মারে। তীব্র ধাক্কায় দুমড়ে-মুচড়ে যায় টোটোটি। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় টোটোর তিন যাত্রীর।দুর্ঘটনার পর আহতদের উদ্ধার করে রামপুরহাট মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠানো হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় নলহাটি থানার পুলিশ। কিন্তু পুলিশ পৌঁছতেই উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। মৃতদের দেহ জাতীয় সড়কের উপর রেখে পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন স্থানীয় বাসিন্দারা।এলাকার বাসিন্দাদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই ওই এলাকায় পুলিশের একাংশ পণ্যবাহী লরি থামিয়ে টাকা তোলে। সেই ভয়েই অনেক সময় লরিচালকরা বেপরোয়া ভাবে গাড়ি চালান। আর তারই পরিণতি হল এই ভয়াবহ দুর্ঘটনা। পরে পুলিশ ও প্রশাসনের আশ্বাসে অবরোধ উঠে যায় এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

জানুয়ারি ০৪, ২০২৬
দেশ

এসি কামরায় আগুনের লেলিহান শিখা, মাঝরাতে ট্রেন থামিয়ে প্রাণ বাঁচানোর লড়াই

চলন্ত দূরপাল্লার ট্রেনের এসি কামরায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড। পুড়ে ছাই হয়ে গেল পরপর দুটি কোচ। এই ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে এক যাত্রীর। সোমবার ভোরে এই চাঞ্চল্যকর ঘটনার কথা জানায় রেলমন্ত্রক। জানা গিয়েছে, ঝাড়খণ্ডের টাটানগর থেকে কেরলের এর্নাকুলামগামী এক্সপ্রেস ট্রেনটি বড় দুর্ঘটনার মুখে পড়ে অন্ধ্র প্রদেশের আনাকাপালি জেলার কাছে।ঘটনাটি ঘটে গভীর রাতে। তখন রাত প্রায় ১টা। নিজের গতিতে ছুটে চলছিল এর্নাকুলামগামী ট্রেনটি। হঠাৎই চালকের নজরে আসে একটি কোচ থেকে আগুনের শিখা উঠছে এবং তা পাশের কোচের দিকে ছড়িয়ে পড়ছে। পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে সঙ্গে সঙ্গে ট্রেন থামিয়ে দেন চালক। দ্রুত যাত্রীদের নামিয়ে আনা হয় এবং আগুন লাগা কোচগুলি থেকে উদ্ধার শুরু হয়।রেল আধিকারিকদের মতে, আগুন লাগা কোচে মোট ৮২ জন যাত্রী ছিলেন। পাশের কোচে ছিলেন আরও ৭৬ জন। প্রায় সকলকেই নিরাপদে উদ্ধার করা সম্ভব হলেও একজন যাত্রীকে বাঁচানো যায়নি। আগুনে ঝলসে মৃত্যু হয় চন্দ্রশেখর সুন্দরম নামে এক যাত্রীর।রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রথমে ট্রেনের বি১ এসি কোচে আগুন লাগে। সেখান থেকে দ্রুত তা বি২ কোচে ছড়িয়ে পড়ে। আগুন যাতে গোটা ট্রেনে ছড়িয়ে না পড়ে, সে কারণে এম১ কোচ থেকে আগুন লাগা অংশ আলাদা করে দেওয়া হয়। এই সিদ্ধান্তের ফলে বড়সড় বিপর্যয় এড়ানো সম্ভব হয়েছে বলে মনে করছেন আধিকারিকরা।ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকল বাহিনী। চারটি দমকল ইঞ্জিনের তৎপরতায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। তবে ততক্ষণে দুটি এসি কোচ সম্পূর্ণভাবে পুড়ে ছাই হয়ে যায়।এই অগ্নিকাণ্ড কীভাবে ঘটল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। রেলমন্ত্রক জানিয়েছে, ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। আগুন লাগার প্রকৃত কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

ডিসেম্বর ২৯, ২০২৫
দেশ

বড়দিনের ভোরে কর্ণাটকে মর্মান্তিক পথদুর্ঘটনা, পুড়ে ছাই বাস, মৃত ১০-এর বেশি

বড়দিনের ভোররাতে কর্ণাটকে এক ভয়াবহ পথদুর্ঘটনায় প্রাণ হারালেন ১০ জনেরও বেশি যাত্রী। একটি বেসরকারি ট্রাভেল বাস ও একটি লরির মুখোমুখি সংঘর্ষের পর মুহূর্তের মধ্যেই আগুন ধরে যায় বাসটিতে। দুর্ঘটনার তীব্রতায় সম্পূর্ণভাবে পুড়ে ছাই হয়ে যায় বাসটি, যার ফলে হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছে প্রশাসন।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বেঙ্গালুরু থেকে শিবমোগা হয়ে গোকর্ণ যাচ্ছিল বাসটি। বুধবার ভোর প্রায় তিনটে নাগাদ হিরিয়ুর গোরলাট্টু ক্রস সংলগ্ন জাভানাগোন্ডানহাল্লি এলাকায় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি লরির সঙ্গে বাসটির সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের পরই বাসে আগুন ধরে যায় এবং অল্প সময়ের মধ্যেই আগুন গোটা বাসটিকে গ্রাস করে। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকল বাহিনী ও পুলিশ। শুরু হয় উদ্ধারকাজ। জানা গিয়েছে, দুর্ঘটনার সময় বাসটিতে প্রায় ৩০ জনের বেশি যাত্রী ছিলেন। আগুনে পুড়ে ও ধোঁয়ায় দমবন্ধ হয়ে বহু যাত্রীর মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে অনুমান।অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কুমারস্বামী বি.টি জানান, এই দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই লরি চালকের মৃত্যু হয়। এখনও পর্যন্ত ১০ জনের বেশি যাত্রীর মৃত্যুর খবর মিলেছে। আহত অন্তত ১২ জনকে উদ্ধার করে সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে ৯ জনকে তুমকুরু সরকারি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।প্রশাসনের প্রাথমিক তদন্তে লরি চালকের অবহেলাকেই দুর্ঘটনার কারণ হিসেবে ধরা হচ্ছে। তবে সঠিকভাবে কতজনের মৃত্যু হয়েছে, তা এখনও নিশ্চিত করা যায়নি। মৃতদেহগুলি শনাক্ত করার কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন আধিকারিকরা। এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় বড়দিনের আনন্দ মুহূর্তেই বিষাদে পরিণত হয়েছে। গোটা এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

ডিসেম্বর ২৫, ২০২৫
রাজ্য

তাহেরপুরে প্রধানমন্ত্রীর সভার আগে মর্মান্তিক ঘটনা, কুয়াশায় প্রাণ গেল চারজনের

এসআইআর আবহের মধ্যেই শনিবার পশ্চিমবঙ্গে এসেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। নদিয়ার তাহেরপুরে তাঁর সভা রয়েছে। সকাল থেকেই সভাস্থলের দিকে ভিড় জমতে শুরু করেছিল। ঠিক সেই সময়েই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। ট্রেনের ধাক্কায় চার জনের মৃত্যু হয়েছে। গুরুতর আহত হয়েছেন আরও দুজন। তাঁদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাঁকে শক্তিনগর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।জানা গিয়েছে, মৃত ও আহত সকলের বাড়ি মুর্শিদাবাদ জেলায়। তাঁরা প্রধানমন্ত্রী মোদির সভায় যোগ দিতেই নদিয়ার তাহেরপুরে এসেছিলেন। ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছন রেল ও পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা। কীভাবে এই দুর্ঘটনা ঘটল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।শনিবার ভোরে তাহেরপুর স্টেশনের কাছে এই দুর্ঘটনা ঘটে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার রাতে মুর্শিদাবাদের বড়ঞার সাবলদহ গ্রাম থেকে প্রায় ৪০ জন তাহেরপুরে আসেন। ভোরবেলা তাঁদের মধ্যে কয়েক জন রেললাইনের ধারে প্রাতঃকৃত্য সারতে যান। সেই সময় আচমকাই দ্রুতগতির একটি ট্রেন চলে আসে। ট্রেনের ধাক্কায় চার জন লাইনের উপর ছিটকে পড়েন। আঘাত এতটাই গুরুতর ছিল যে ঘটনাস্থলেই তাঁদের মৃত্যু হয়।একই ঘটনায় আরও দুজন আহত হন। তাঁদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে। অন্য জনের চিকিৎসা চলছে। তদন্তকারীদের প্রাথমিক অনুমান, ভোরের ঘন কুয়াশার কারণে দৃশ্যমানতা অনেকটাই কম ছিল। সেই কারণেই ট্রেন আসছে বুঝতে না পারায় এই দুর্ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। তবে অন্য সম্ভাবনাগুলিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।মতুয়াগড় হিসেবে পরিচিত নদিয়ার তাহেরপুরে এদিন প্রধানমন্ত্রী মোদির সভা ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা তুঙ্গে। তার মধ্যেই এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

ডিসেম্বর ২০, ২০২৫
দেশ

অসমে ট্রেন-হাতির সংঘর্ষ, লাইনচ্যুত রাজধানী, মৃত অন্তত ৮ হাতি

ভোরের ঘন কুয়াশায় কিছুই দেখা যাচ্ছিল না। সেই অবস্থাতেই একপাল হাতিকে ধাক্কা মারল রাজধানী এক্সপ্রেস। ভয়াবহ এই দুর্ঘটনায় লাইনচ্যুত হয়ে যায় রাজধানী এক্সপ্রেসের পাঁচটি কামরা। ট্রেনের ধাক্কায় অন্তত আটটি হাতির মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা যাচ্ছে। দুর্ঘটনার জেরে ওই রুটে আপাতত বন্ধ রাখা হয়েছে ট্রেন চলাচল।শনিবার, ২০ ডিসেম্বর ভোরে অসমের যমুনামুখ-কামপুর সেকশনে এই দুর্ঘটনা ঘটে। এলাকাটি নর্থ-ইস্ট ফ্রন্টিয়ার রেলওয়ের লুমডিং ডিভিশনের আওতায়। জানা গিয়েছে, সাইরং থেকে নয়া দিল্লিগামী রাজধানী এক্সপ্রেস দ্রুত গতিতে আসছিল। সেই সময়ই জঙ্গল থেকে বেরিয়ে রেললাইন পারাপার করছিল একপাল হাতি। চারদিকে ঘন কুয়াশা থাকায় দূর থেকে কিছুই দেখতে পাওয়া যায়নি। সেই কারণেই এই দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিক অনুমান।গুয়াহাটি থেকে প্রায় ১২৬ কিলোমিটার দূরে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই অংশটি হাতির নির্দিষ্ট করিডর নয়। ট্রেনের লোকো পাইলট জানিয়েছেন, সামনে হাতির পাল দেখতে পেয়েই তিনি সঙ্গে সঙ্গে ইমার্জেন্সি ব্রেক কষেন। কিন্তু হাতিগুলি আরও এগিয়ে আসায় শেষ পর্যন্ত সংঘর্ষ এড়ানো সম্ভব হয়নি।প্রবল ধাক্কার জেরে ট্রেনের ইঞ্জিন ও পাঁচটি কামরা লাইনচ্যুত হয়ে যায়। তবে স্বস্তির খবর, এই দুর্ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কোনও যাত্রীর আহত বা নিহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি। দুর্ঘটনার পর যেসব কামরা লাইনচ্যুত হয়েছিল, সেখানকার যাত্রীদের নিরাপদে অন্য কামরায় সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, মোট আটটি হাতি রেললাইন পার হচ্ছিল। তাদের মধ্যে একাধিক হাতির মৃত্যু হয়েছে। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত একটি রিলিফ ট্রেন পাঠানো হয়। রেল আধিকারিকরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ শুরু করেছেন।রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, লাইনচ্যুত কামরা এবং হাতিগুলির দেহ ট্র্যাকে ছড়িয়ে থাকায় উদ্ধারকাজে বেশ সময় লাগছে। সেই কারণে অসমের উপরের অংশ এবং উত্তর-পূর্ব ভারতের বেশ কয়েকটি রুটে ট্রেন চলাচল আপাতত বন্ধ রাখা হয়েছে।যাত্রীরা যাতে অসুবিধায় না পড়েন, সে জন্য গুয়াহাটি পৌঁছনোর পর রাজধানী এক্সপ্রেসে অতিরিক্ত কোচ জুড়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে বলে রেল সূত্রে খবর।

ডিসেম্বর ২০, ২০২৫
রাজ্য

বাংলাদেশি জাহাজের ধাক্কা! ডুবে যাওয়া ট্রলার থেকে মিলল দুই মৎস্যজীবীর দেহ

বাংলাদেশি নৌসেনার জাহাজের সঙ্গে সংঘর্ষের পর গভীর সমুদ্রে ডুবে যাওয়া মৎস্যজীবীদের ট্রলার থেকে মিলল আরও দুজনের দেহ। নামখানার উপকূলে টেনে আনা দুর্ঘটনাগ্রস্ত ট্রলার থেকে ভোররাতে উদ্ধার হয় নিখোঁজ দুই মৎস্যজীবীর দেহ। তাঁদের নাম রঞ্জন দাস ও সঞ্জীব দাস। এখনও তিন জন মৎস্যজীবীর কোনও খোঁজ মেলেনি। তাঁদের নিয়ে উদ্বেগ ক্রমশ বাড়ছে।উদ্ধার হওয়া দেহ দুটি পাওয়া গিয়েছে ট্রলার এফবি পারমিতা-১১-এর কেবিনের ভিতর থেকে। মৎস্যজীবী সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মৃত রঞ্জন দাসের বাড়ি পূর্ব বর্ধমানে। সঞ্জীব দাস কাকদ্বীপের বাসিন্দা। ট্রলারের কেবিনে আর কোনও নিখোঁজ মৎস্যজীবী আটকে রয়েছেন কি না, তা খতিয়ে দেখা হলেও আর কোনও দেহ পাওয়া যায়নি।গত রবিবার ১৬ জন মৎস্যজীবী নিয়ে ট্রলারটি বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরতে গিয়েছিল। ভারত-বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক জলসীমানার কাছে আচমকাই ট্রলারটি ডুবে যায়। সেই সময় ভারতীয় উপকূল রক্ষী বাহিনী এবং আশপাশের অন্য ট্রলারের মৎস্যজীবীদের তৎপরতায় ১১ জনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়।উদ্ধার হওয়া মৎস্যজীবীদের অভিযোগ, একটি বাংলাদেশি নৌসেনার জাহাজ ইচ্ছাকৃতভাবে তাঁদের ট্রলারে ধাক্কা মারে এবং তারপর ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। যদিও এই অভিযোগ বাংলাদেশ নৌসেনার পক্ষ থেকে অস্বীকার করা হয়েছে।দুর্ঘটনার পর পাঁচ জন মৎস্যজীবী নিখোঁজ ছিলেন। তাঁদের খোঁজে গতকাল গভীর রাতে ডুবে যাওয়া ট্রলারটিকে নামখানার উপকূলে টেনে আনা হয়। সেখান থেকেই এদিন উদ্ধার হয় দুজনের দেহ। প্রিয়জনের দেহ ফিরে পেয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন মৃতদের পরিবার। এখনও নিখোঁজ তিন মৎস্যজীবীর খোঁজে দ্রুত তল্লাশির দাবি জানিয়েছেন তাঁদের পরিজনরা।

ডিসেম্বর ১৭, ২০২৫
দেশ

সাতসকালে দুঃস্বপ্ন! ৩৫ পুণ্যার্থী নিয়ে বাস খাদে—চিৎকারে কেঁপে উঠল পাহাড়ি এলাকা

সকালে দিন এখনও ঠিক ফোটেনি। ঘন কুয়াশায় ঢেকে ছিল পাহাড়ি রাস্তা। ঠিক সেই সময়ই ঘটে গেল বড় বিপদ। অন্ধ্রপ্রদেশের আলুরি জেলায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গভীর খাদে পড়ে গেল একটি যাত্রীবাস। ঘটনায় অন্তত ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে, আহত আরও ১২ জন।আজ ভোর সাড়ে ৫টা নাগাদ তুলাসিপাকালু গ্রামের কাছে দুর্ঘটনাটি ঘটে। বাসটিতে মোট ৩৫ জন যাত্রী ছিলেন, সকলেই পুণ্যার্থী। বাসে ছিলেন দুই চালক ও একজন সাফাই কর্মীও। পাহাড়ি ঘন জঙ্গলের মধ্য দিয়ে যাচ্ছিল বাসটি। একটি বাঁক ঘোরানোর সময় হঠাৎই স্টিয়ারিং ঘুরে যায়, আর সঙ্গে সঙ্গেই বাসটি রাস্তা থেকে ছিটকে খাদে ঝুলে পড়ে। পুরোপুরি নিচে না পড়লেও উলটে ঝুলে থাকা অবস্থাতেই আটকে যায়।স্থানীয় বাসিন্দারা প্রথমে বাসটিকে ওই ভয়ার্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেন। দ্রুত উদ্ধারকারী দল পৌঁছে যায় ঘটনাস্থলে এবং যাত্রীদের বের করতে শুরু হয় দমকা অভিযান। জেলাশাসক জানিয়েছেন, এখন পর্যন্ত ৯ জনের মৃত্যু নিশ্চিত হয়েছে। সাতজন গুরুতর আহত, তাদের চিত্তুর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বাকিদের ভদ্রাচলম হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। উদ্ধারকাজ এখনও চলছে।দুর্ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছেন অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নাইডু। তিনি জেলাশাসকের সঙ্গে কথা বলে দ্রুত উদ্ধারকাজ চালানোর নির্দেশ দিয়েছেন। আহতদের চিকিৎসায় কোনও ত্রুটি যেন না থাকে, তাও নিশ্চিত করতে বলেছেন।ঘন কুয়াশাই এই দুর্ঘটনার মূল কারণ বলে অনুমান পুলিশের।

ডিসেম্বর ১২, ২০২৫
কলকাতা

শীতের কুয়াশায় কলকাতায় তাণ্ডব! বাইক দুর্ঘটনায় মৃত্যু, রেড রোডে বেপরোয়া গাড়ির মারাত্মক ধাক্কা

শীতের রাতে আবারও বিপত্তি কলকাতায়। গভীর রাতে ইএম বাইপাসে ভয়াবহ দুর্ঘটনায় মৃত্যু হল এক বাইক আরোহীর। কয়েক ঘণ্টা পরই ভিক্টোরিয়ার কাছে রেড রোডে বেপরোয়া গাড়ির ধাক্কায় জখম হলেন দুই যাত্রী এবং এক পথচারী মহিলা। দুটি ঘটনারই তদন্তে নেমেছে পুলিশ।জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার গভীর রাতে ইএম বাইপাসের সার্ভে পার্কের কাছে ঢালাই ব্রিজ থেকে রুবির দিকে যাচ্ছিলেন অলোকেশ হালদার নামে এক যুবক। বাইকের গতি ছিল অত্যন্ত বেশি। সিংহীবাড়ি মোড়ের কাছে দাঁড়িয়ে থাকা একটি গাড়িকে তিনি প্রথমে ধাক্কা মারেন। তার পর বাইকটি গিয়ে ধাক্কা মারে রাস্তার ডিভাইডারে। ধাক্কার জেরে প্রচণ্ড জোরে ছিটকে পড়ে যান অলোকেশ। স্থানীয়রা রক্তাক্ত অবস্থায় তাঁকে এমআর বাঙুর হাসপাতালে নিয়ে গেলেও চিকিৎসকেরা মৃত ঘোষণা করেন। পুলিশ জানিয়েছে, দুর্ঘটনার সময়ে তাঁর মাথায় হেলমেট ছিল না। অতিরিক্ত গতি ও মাথায় আঘাতেই মৃত্যু হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।বুধবার সকালে আরও একটি বড় দুর্ঘটনা ঘটে রেড রোডে। এক বেপরোয়া গাড়ি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সোজা ধাক্কা মারে রাস্তার বিদ্যুতের খুঁটিতে ও একটি গাছে। ধাক্কার জেরে গাড়ির সামনের অংশ দুমড়ে-মুচড়ে যায়। গাড়ির ভিতরে থাকা দুই যাত্রীযারা সম্পর্কে বাবা ও ছেলেগুরুতর জখম হন। তাঁদের দ্রুত এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। গাড়ির ধাক্কায় আহত হয়েছেন এক সাফাই কর্মী মহিলা, তাঁর নাম রশিদা বেগম, বাড়ি রায়চকে। গাড়ির গতি এতটাই বেশি ছিল যে খুঁটি ও গাছ দুটিই ভেঙে পড়েছে।শহরে জোড়া দুর্ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। পুলিশ দুটি ঘটনাই খতিয়ে দেখছে।

ডিসেম্বর ১০, ২০২৫
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

উইপোকা ধরা টাকার পর বড় পদক্ষেপ! সুরেন্দ্রনাথ কলেজ কাণ্ডে গ্রেপ্তার পরিতোষ দত্ত

সুরেন্দ্রনাথ কলেজে উদ্ধার হওয়া টাকার বান্ডিল এবং বিতর্কিত কক্ষকে ঘিরে তদন্তে বড় পদক্ষেপ করল পুলিশ। এই ঘটনায় দেবাশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত পরিতোষ দত্তকে গ্রেপ্তার করেছে কলকাতা পুলিশের গুন্ডা দমন শাখা। বর্ধমান থেকে তাঁকে আটক করে কলকাতায় আনা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।ঘটনার জেরে নড়েচড়ে বসেছে উচ্চশিক্ষা দফতরও। কলেজ কর্তৃপক্ষের কাছে বিস্তারিত রিপোর্ট তলব করা হয়েছে। কীভাবে কলেজের ইউনিয়ন কক্ষের আলমারি থেকে ব্যাগভর্তি টাকা উদ্ধার হল, সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে তদন্তকারীরা।গত মঙ্গলবার কলেজের ইউনিয়ন কক্ষ থেকে উইপোকা ধরা টাকার বান্ডিল উদ্ধার হওয়ার পর ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। এরপর তদন্তে উঠে আসে আরও একাধিক তথ্য। কলেজের পাঁচতলায় তথাকথিত অতিথি কক্ষ হিসেবে ব্যবহার করা কয়েকটি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ঘর নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সেখানে বিছানা, গদি, বালিশ, আলমারি এবং আরও কিছু সামগ্রী পাওয়া গিয়েছে বলে অভিযোগ।দেবাশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ, ওই ঘরগুলি ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করা হত। যদিও এই অভিযোগের বিষয়ে তাঁর পক্ষ থেকে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। কলেজের একটি কক্ষে কয়েকজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও সংশ্লিষ্টদের ছবিও দেখা গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এদিকে উচ্চশিক্ষা দফতর জানতে চেয়েছে, ছাত্র সংগঠনের মাধ্যমে সংগ্রহ করা অর্থ কোন খাতে ব্যয় হয়েছে। কলেজের ভিতরে ওই কক্ষগুলি তৈরির অনুমতি ছিল কি না, কারা সেগুলি ব্যবহার করতেন এবং কীভাবে এত টাকা কলেজে এল, তারও বিস্তারিত তথ্য চাওয়া হয়েছে। সিসিটিভি ফুটেজ এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।পাশাপাশি ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারেন এমন ব্যক্তিদের নাম-সহ একটি তালিকাও জমা দিতে বলা হয়েছে কলেজ কর্তৃপক্ষকে। পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে এবং শিক্ষা দফতর বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখছে।প্রায় একশো চল্লিশ বছরের পুরনো এই ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নাম জড়িয়ে এমন ঘটনা সামনে আসায় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে বিভিন্ন মহলে। দেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি রাজেন্দ্র প্রসাদ থেকে সাহিত্যিক বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়, সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় এবং বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মতো বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব এই কলেজের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। সেই কলেজে এমন ঘটনা কীভাবে ঘটল, তা নিয়েই এখন জোর আলোচনা চলছে।কলেজ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সমস্ত অভিযোগ গুরুত্ব সহকারে খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতা করা হবে।

জুন ০৪, ২০২৬
দেশ

ভোরের ঘুম ভাঙল আগুনে! হাসপাতালের আইসিইউতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, মৃত অন্তত ৪

দিল্লির একটি হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার বিহারের একটি হাসপাতালে আগুন লেগে মৃত্যু হল অন্তত চার জনের। ভয়াবহ এই ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও বেশ কয়েকজন। তাঁদের মধ্যে অনেকের অবস্থাই আশঙ্কাজনক বলে জানা গিয়েছে।পুলিশ সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার ভোর প্রায় চারটে নাগাদ মুজফ্ফরপুরের একটি বেসরকারি হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে আচমকা আগুন লাগে। অল্প সময়ের মধ্যেই আগুন এবং ঘন কালো ধোঁয়া পুরো এলাকা জুড়ে ছড়িয়ে পড়ে। হাসপাতালের ভিতরে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে রোগী, চিকিৎসক এবং কর্মীদের মধ্যে।খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ এবং দমকলের একাধিক ইঞ্জিন। শুরু হয় উদ্ধার অভিযান। প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, হাসপাতালের ছতলায় থাকা নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র থেকেই আগুনের সূত্রপাত। ধোঁয়ায় ভরে যায় পুরো তলা। দমকলকর্মীরা দ্রুত অভিযান চালিয়ে প্রায় পনেরো থেকে কুড়ি জন রোগীকে নিরাপদে উদ্ধার করেন।তবে সব রোগীকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, অন্তত চার জনের মৃত্যু হয়েছে। আহতদের অনেকেই গুরুতর অগ্নিদগ্ধ অবস্থায় অন্য হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। তাঁদের কয়েকজনের অবস্থা সংকটজনক হওয়ায় মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, শর্ট সার্কিট থেকেই এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। তবে সঠিক কারণ জানতে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শুরু হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সব দিক খতিয়ে দেখা হবে।মুজফ্ফরপুর দমকল বিভাগের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, আগুন লাগার পর দ্রুত উদ্ধারকাজ শুরু করা হয়। বহু রোগীকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র থেকে বের করে অন্য হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। তবে ধোঁয়া এবং আগুনের তীব্রতার কারণে কয়েকজনকে আর বাঁচানো যায়নি।এই মর্মান্তিক ঘটনার পর হাসপাতালের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। কীভাবে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিভাগে আগুন লাগল এবং সেখানে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা কতটা কার্যকর ছিল, তা নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে।

জুন ০৪, ২০২৬
কলকাতা

মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর সঙ্গে গোপন বৈঠক কর্ণ আদানির! বাংলায় আসছে কি হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ?

রাজ্যের শিল্প ও পরিকাঠামো উন্নয়ন নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং শিল্পপতি গৌতম আদানির পুত্র কর্ণ আদানি। বুধবার নবান্নে প্রায় এক ঘণ্টা ধরে দুজনের মধ্যে আলোচনা হয়। এই বৈঠক ঘিরে রাজ্যের শিল্পমহলে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।সূত্রের খবর, সৌজন্য সাক্ষাতের আড়ালেই শিল্প, কর্মসংস্থান এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। আদানি গোষ্ঠী রাজ্যে নতুন বিদ্যুৎ প্রকল্প, বন্দর, লজিস্টিক কেন্দ্র, রাস্তা নির্মাণ এবং তথ্যভাণ্ডার কেন্দ্র গড়ে তোলার বিষয়ে আগ্রহ দেখিয়েছে বলে জানা গিয়েছে।রাজ্য সরকার শুরু থেকেই শিল্পায়ন এবং কর্মসংস্থান বৃদ্ধিকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা জানিয়েছে। সেই লক্ষ্যেই বড় শিল্পগোষ্ঠীগুলিকে রাজ্যে বিনিয়োগের জন্য উৎসাহিত করা হচ্ছে। বৈঠকে কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ তৈরির বিষয়েও আলোচনা হয়েছে বলে সূত্রের দাবি।জানা গিয়েছে, রাজ্যে বৃহৎ লজিস্টিক কেন্দ্র তৈরির পরিকল্পনাও রয়েছে আদানি গোষ্ঠীর। পাশাপাশি বিদ্যুৎ উৎপাদন, বন্দর উন্নয়ন এবং আধুনিক পরিকাঠামো নির্মাণের সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। যদিও এদিন কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি, তবে ভবিষ্যতে আরও একাধিক দফায় বৈঠক হতে পারে বলে খবর।আদানি গোষ্ঠীর সঙ্গে বাংলার সম্পর্ক নতুন নয়। অতীতেও রাজ্যের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প নিয়ে আদানি গোষ্ঠীর সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। তবে নতুন সরকারের আমলে এই বৈঠককে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছেন শিল্পমহলের একাংশ। তাঁদের মতে, এই আলোচনা সফল হলে রাজ্যে বড় বিনিয়োগের পথ খুলতে পারে এবং কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ তৈরি হতে পারে।এখন নজর পরবর্তী বৈঠকের দিকে। শিল্প ও পরিকাঠামো ক্ষেত্রে আদানি গোষ্ঠী শেষ পর্যন্ত কী ধরনের বিনিয়োগের পরিকল্পনা ঘোষণা করে, সেটাই দেখার।

জুন ০৪, ২০২৬
কলকাতা

মমতার মন্তব্য ঘিরে বড় বিতর্ক! সাইবার থানায় নতুন অভিযোগ, চাঞ্চল্য রাজ্যজুড়ে

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে ফের সাইবার ক্রাইম থানায় অভিযোগ দায়ের হওয়ায় নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। অভিযোগ দায়ের করেছেন আইনজীবী রিঙ্কি সিং চট্টোপাধ্যায়। গত দুই জুন ধর্মতলায় ধর্না কর্মসূচির মঞ্চ থেকে বাংলাদেশের নাগরিক ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডের তদন্ত প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্যকে কেন্দ্র করেই এই অভিযোগ করা হয়েছে। এর আগেও গত সপ্তাহে একই বিষয়ে অভিযোগ দায়ের করেছিলেন ওই আইনজীবী।অভিযোগকারীর দাবি, প্রকাশ্য সভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী এমন কিছু মন্তব্য করেছেন যা দেশের নিরাপত্তা এবং প্রশাসনিক গোপনীয়তা সংক্রান্ত প্রশ্ন তুলে দিতে পারে। বিশেষ করে দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রককে ঘিরে করা মন্তব্যকে কেন্দ্র করেই আপত্তি জানানো হয়েছে।আইনজীবী রিঙ্কি সিং চট্টোপাধ্যায়ের বক্তব্য, গত বছরের ডিসেম্বর মাসে বাংলাদেশে ওসমান হাদি নামে এক ব্যক্তির খুনের ঘটনা ঘটে। পরে অভিযুক্তদের মধ্যে কয়েকজন মেঘালয় সীমান্ত পেরিয়ে পশ্চিমবঙ্গে ঢুকেছিল বলে অভিযোগ। রাজ্যের বিশেষ টাস্ক ফোর্স তাদের গ্রেপ্তার করে। দুই জুন ধর্মতলার সভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী ওই ঘটনার প্রসঙ্গ তোলেন এবং ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করেন বলে অভিযোগ। সেই কারণেই তাঁর বিরুদ্ধে সাইবার ক্রাইম থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।ধর্নামঞ্চ থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, বাংলাদেশ থেকে আসা এক অভিযুক্তকে রাজ্যের বিশেষ টাস্ক ফোর্স গ্রেপ্তার করেছিল। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশে প্রতিবাদও হয়েছিল। তিনি আরও দাবি করেন, অভিযুক্তরা মেঘালয় হয়ে পশ্চিমবঙ্গে এসেছিল এবং পরে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁর বক্তব্যে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের প্রসঙ্গও উঠে আসে।অভিযোগপত্রে একাধিক ধারার উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযোগকারীর দাবি, মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যে বিদ্বেষ ছড়ানো, উত্তেজনা সৃষ্টি, জনশৃঙ্খলা বিঘ্নিত হওয়ার সম্ভাবনা এবং ভয় প্রদর্শনের মতো বিষয় উঠে এসেছে। যদিও অভিযোগের সত্যতা বা আইনি ভিত্তি নিয়ে এখনও প্রশাসনের তরফে কোনও আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করা হয়নি।ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক। অভিযোগের ভিত্তিতে পরবর্তী সময়ে তদন্তকারী সংস্থা কী পদক্ষেপ করে, সেদিকেই নজর রয়েছে সকলের।

জুন ০৪, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

পাপিয়ার ঘোষণার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই টালিগঞ্জে বিস্ফোরণ! ইট-ডিমের লড়াইয়ে রণক্ষেত্র স্টুডিওপাড়া

টলিপাড়ার সাংগঠনিক কাঠামোয় বড় পরিবর্তনের ঘোষণার মাত্র একদিনের মধ্যেই উত্তপ্ত হয়ে উঠল টেকনিশিয়ান্স স্টুডিও চত্বর। বৃহস্পতিবার সকালে বৈঠককে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে তীব্র সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে ইট, পাটকেল এবং ডিম ছোড়াছুড়ি শুরু হয়। পরে পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ।বুধবার বিজেপি বিধায়ক পাপিয়া অধিকারী টেকনিশিয়ান্স স্টুডিও প্রাঙ্গণ থেকে দীর্ঘদিনের ফেডারেশন ভেঙে নতুন সংগঠন গঠনের ঘোষণা করেন। তিনি জানান, পুরনো কাঠামোর পরিবর্তে নতুন কনফেডারেশন তৈরি করা হবে এবং সংগঠনের কাঠামোয় বড়সড় পরিবর্তন আনা হবে। একই সঙ্গে টলিউডে যোগ্য ও বৈধ কর্মীদের কাজের সুযোগ নিশ্চিত করার কথাও বলেন তিনি। অবৈধভাবে বা নিয়ম না মেনে কাজ পাওয়া ব্যক্তিদের চিহ্নিত করার প্রক্রিয়া শুরু হবে বলেও জানান।এই ঘোষণার পর বৃহস্পতিবার সকালে স্টুডিও প্রাঙ্গণে একটি বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছিল। অভিযোগ, বৈঠক শুরু হওয়ার আগেই দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি ক্রমশ জটিল হয়ে ওঠায় স্টুডিওর ভিতরে বৈঠক করা সম্ভব হয়নি। পরে কাছাকাছি একটি মাঠে জটলা তৈরি হয় এবং সেখানেই দুই গোষ্ঠীর মধ্যে বচসা শুরু হয়।এক পক্ষের অভিযোগ, সংগঠনের পদ এবং প্রভাব ধরে রাখার জন্য কিছু নেতা বহিরাগতদের নিয়ে এসে অশান্তি তৈরির চেষ্টা করছেন। অন্যদিকে পাল্টা স্লোগান তুলে প্রতিবাদ জানায় অপর পক্ষ। অল্প সময়ের মধ্যেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। দুই পক্ষ একে অপরকে লক্ষ্য করে ইট, পাটকেল এবং ডিম ছুড়তে শুরু করে।ঘটনায় স্টুডিওপাড়ায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে রিজেন্ট পার্ক থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। সংঘর্ষের জেরে কিছুক্ষণ কাজকর্মও ব্যাহত হয় বলে জানা গিয়েছে।ঘটনার পর টেকনিশিয়ানদের একাংশ বিদায়ী নেতৃত্বের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তাঁদের দাবি, সংগঠনের আর্থিক বিষয় এবং সম্পত্তি সংক্রান্ত নানা প্রশ্নের উত্তর দেওয়া উচিত। পাশাপাশি টলিপাড়ার চলমান অস্থিরতা দূর করতে রাজ্য সরকারের হস্তক্ষেপের দাবিও তুলেছেন অনেকেই।নতুন সংগঠন গঠনের ঘোষণার পরই যে ভাবে টালিগঞ্জে উত্তেজনা ছড়িয়েছে, তাতে আগামী দিনে টলিপাড়ার সাংগঠনিক লড়াই আরও তীব্র হতে পারে বলেই মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।

জুন ০৪, ২০২৬
রাজ্য

এনআইএ হানার আগেই উধাও শওকত! ভাঙড় বিস্ফোরণ মামলায় তোলপাড় দক্ষিণ ২৪ পরগনা

কোথায় শওকত মোল্লা? এই প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে ভাঙড় ও ক্যানিংয়ের রাজনৈতিক মহলে। ভাঙড়ের বামুনিয়া বিস্ফোরণ মামলার তদন্তে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক শওকত মোল্লার বাড়ি, দলীয় কার্যালয় এবং একাধিক জায়গায় তল্লাশি চালায় জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ। তবে দীর্ঘ সময় ধরে অভিযান চললেও শওকতের খোঁজ মেলেনি।তদন্তকারী সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন সকালে এনআইএ-র একাধিক দল ভাঙড় ও সংলগ্ন এলাকায় অভিযান শুরু করে। শওকত মোল্লার বাড়িতে পৌঁছে তাঁকে না পাওয়ায় তদন্তকারীদের বেশ কিছুক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়। স্থানীয়দের একাংশের দাবি, অভিযানের খবর পাওয়ার আগেই তিনি এলাকা ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন।এদিকে, তল্লাশি চলাকালীন শওকত মোল্লার ছেলে ইমরান মোল্লাকে আটক করা হয়েছে বলে খবর। তদন্তকারীরা তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করছেন। শুধু বাড়িতেই নয়, ইমরানের মালিকানাধীন ক্যাফে অরণ্যের কূলে-তেও তল্লাশি চালানো হয়েছে। ওই ক্যাফে ঘিরে দীর্ঘদিন ধরেই নানা বিতর্ক রয়েছে। অভিযোগ, নদীর জমি ভরাট করে সেখানে নির্মাণ করা হয়েছে এই ক্যাফে।ভাঙড়ের বামুনিয়া এলাকায় বিধানসভা নির্বাচনের আগে ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনায় একজনের মৃত্যু হয়েছিল। আহত হয়েছিলেন আরও কয়েকজন। সেই মামলার তদন্তেই সম্প্রতি গতি এনেছে এনআইএ। কয়েকদিন আগে এই মামলায় তৃণমূল নেতা আহিদুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপরই তদন্তের পরিধি আরও বাড়ানো হয়েছে।বৃহস্পতিবার বামুনিয়া এলাকার একাধিক বাড়িতেও তল্লাশি চালিয়েছে এনআইএ। পাশাপাশি ধৃত আহিদুল ইসলামের বাড়িতেও অভিযান চালানো হয়েছে। তদন্তকারীরা বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি ও তথ্য সংগ্রহ করেছেন বলে সূত্রের দাবি।অন্যদিকে, শওকত মোল্লার খোঁজে তাঁর ভাই আবু জাফরের বাড়িতেও এনআইএ-র একটি দল পৌঁছেছে বলে জানা গিয়েছে। প্রাক্তন বিধায়কের অনুপস্থিতি ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা তুঙ্গে। তিনি কি তদন্ত এড়াতেই আড়ালে রয়েছেন, নাকি অন্য কোনও কারণে এলাকায় নেইসেই প্রশ্নের উত্তর এখনও মেলেনি।

জুন ০৪, ২০২৬
কলকাতা

গ্রেপ্তারের আশঙ্কা? থানায় ডাকার পরই আচমকা অসুস্থ প্রাক্তন মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস

মেসি ইভেন্ট বিতর্কে নতুন মোড়। বিধাননগর দক্ষিণ থানায় হাজিরা দেওয়ার কথা থাকলেও অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে সময় চাইলেন রাজ্যের প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। পুলিশ সূত্রে খবর, তিনি আগামী দুসপ্তাহ সময় চেয়েছেন। এই ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মেসি ইভেন্টের অন্যতম উদ্যোক্তা শতদ্রু দত্ত।গত সতেরো মে অরূপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে বিধাননগর দক্ষিণ থানায় অভিযোগ দায়ের করেন শতদ্রু দত্ত। অভিযোগে টিকিট কালোবাজারি, প্রতারণা, ভয় দেখানো এবং অনুষ্ঠানের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় গাফিলতির মতো একাধিক বিষয় তুলে ধরা হয়েছে। অভিযোগকারীর দাবি, মেসির অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে প্রায় বাইশ হাজার টিকিট কালোবাজারি করা হয়েছিল। পাশাপাশি প্রভাব খাটিয়ে অরূপ বিশ্বাস মেসির খুব কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিলেন বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।এই অভিযোগের ভিত্তিতে অরূপ বিশ্বাসকে চার জুন থানায় হাজিরার নির্দেশ দেয় পুলিশ। তবে তার আগের রাতেই তিনি থানার সঙ্গে যোগাযোগ করে জানান, তিনি অসুস্থ এবং এই মুহূর্তে হাজিরা দিতে পারবেন না। সূত্রের খবর, অন্তত দুসপ্তাহ সময় চেয়েছেন তিনি। পরে নিজের অবস্থান জানাবেন বলেও জানিয়েছেন।উল্লেখ্য, এই মামলায় গ্রেপ্তারি এড়াতে বারাসত আদালতে আগাম জামিনের আবেদন করেছিলেন অরূপ বিশ্বাস। তবে আদালত সেই আবেদন খারিজ করে দেয়। ফলে বর্তমানে তাঁর হাতে কোনও আইনি সুরক্ষা নেই বলে মনে করছেন আইনজীবীদের একাংশ। তদন্তের প্রয়োজন হলে পুলিশ যে কোনও সময় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করতে পারে।অন্যদিকে অরূপের অসুস্থতার খবর সামনে আসতেই তীব্র প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন শতদ্রু দত্ত। সমাজমাধ্যমে তিনি লেখেন, সমন পাওয়ার পর হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়া অনেক প্রশ্নের জন্ম দিচ্ছে। তাঁর দাবি, চিকিৎসার নথি দেখিয়ে সময় পাওয়া যেতে পারে, কিন্তু আইনি প্রক্রিয়া এড়ানো যায় না। এতদিন সব স্বাভাবিক ছিল, অথচ সমন আসার পরই অসুস্থতার খবর সামনে এল বলে কটাক্ষ করেন তিনি।মেসি ইভেন্ট ঘিরে এই বিতর্কে রাজনৈতিক মহলও নজর রাখছে। এখন দেখার, অরূপ বিশ্বাস কবে তদন্তকারীদের সামনে হাজির হন এবং তদন্ত কোন দিকে এগোয়।

জুন ০৪, ২০২৬
রাজ্য

পুলিশ যেতেই খাটের তলায় লুকিয়ে তৃণমূল নেতা! কাটমানি মামলায় গ্রেপ্তার হতেই বিক্ষোভ

আবাস যোজনার উপভোক্তাদের কাছ থেকে কাটমানি নেওয়ার অভিযোগে অবশেষে গ্রেপ্তার হলেন মাথাভাঙার জোরপাটকি এলাকার প্রভাবশালী তৃণমূল নেতা শহিদুল মিঞা। দীর্ঘদিন ধরেই তিনি পলাতক ছিলেন। বুধবার বিকেলে তাঁর বাড়িতে অভিযান চালিয়ে খাটের তলা থেকে তাঁকে উদ্ধার করে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। অভিযুক্তকে বাড়ি থেকে বের করার সময় ক্ষুব্ধ গ্রামবাসীদের বিক্ষোভের মুখেও পড়তে হয়।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শহিদুল মিঞার স্ত্রী জোরপাটকি গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্য। অন্যদিকে শহিদুল নিজেও মাথাভাঙা থানার সিভিক ভলান্টিয়ার হিসেবে কাজ করতেন। এলাকায় রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক প্রভাব থাকায় তিনি নিজেকে তৃণমূল নেতা হিসেবেই পরিচয় দিতেন বলে অভিযোগ।গ্রামবাসীদের অভিযোগ, আবাস যোজনার সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার নাম করে উপভোক্তাদের কাছ থেকে পাঁচ হাজার, দশ হাজার থেকে শুরু করে কুড়ি হাজার টাকা পর্যন্ত নেওয়া হয়েছে। এই অভিযোগ সামনে আসার পর গত পঁচিশ মে এলাকাবাসীরা তাঁর গ্রেপ্তারের দাবিতে বিক্ষোভ দেখান। তারপর থেকেই তিনি আত্মগোপন করে ছিলেন বলে দাবি স্থানীয়দের।কাটমানির অভিযোগ প্রকাশ্যে আসতেই তাঁকে সিভিক ভলান্টিয়ারের দায়িত্ব থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। এরপর তাঁর খোঁজে তল্লাশি শুরু করে পুলিশ। কিন্তু এতদিন তাঁর কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি।পুলিশ সূত্রে খবর, বুধবার গোপনে নিজের বাড়িতে ফিরেছিলেন শহিদুল। বিষয়টি জানতে পেরে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেন। পুলিশ পৌঁছনোর খবর পেয়েই তিনি বাড়ির খাটের তলায় লুকিয়ে পড়েন। পরে পুলিশ তাঁকে সেখান থেকে বের করে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে যায়।অভিযুক্তকে নিয়ে যাওয়ার সময় এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। গ্রামবাসীরা বিক্ষোভ দেখিয়ে দাবি করেন, যাঁদের কাছ থেকে টাকা নেওয়া হয়েছে, তাঁদের সমস্ত টাকা দ্রুত ফেরত দিতে হবে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

জুন ০৪, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal